আজ ২০ জুন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও গীতিকবি রাজীব মণি দাসের জন্মদিন। নাট্যকার সংঘ’র সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই সংস্কৃতিসেবী প্রায় ২৫০টির মতো একক নাটক ও ১১টির অধিক ধারাবাহিক নাটক রচনা করেছেন।
রাজীব মণি দাস কেবল নাট্যকার নন, তিনি একজন সক্রিয় গীতিকবি, ছোটগল্পকার, কবি ও ঔপন্যাসিকও। সমসাময়িক বিষয়াবলি নিয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখালেখি করেন তিনি। রাজীব মণি দাস ডিরেক্টরস গিল্ডসেরও সদস্য। নাটক রচনার পাশাপশি মাঝে মাঝে তিনি নাটক পরিচালনাও করেন। বিজ্ঞাপনের জগতে তার পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নির্মিত হয়েছে অসংখ্য কাজ।অটিজম বিষয়ে তার গভীর আগ্রহ রয়েছে। অটিজম শিশুদের নিয়ে তার পরিকল্পনা সুস্পষ্ট এবং তিনি এ বিষয়ে সচেতনতামূলক কল্প-কাহিনী রচনায় আগ্রহী।
একজন লেখক হিসেবে তার প্রকাশিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘তাহার জন্য আর কোনো চিন্তা নাই’, বিজ্ঞানভিত্তিক শিশুতোষ উপন্যাস ‘মি. ব্রেইন’, ‘একপশলা বৃষ্টি’ এবং পথশিশুদের জীবনভিত্তিক গল্প ‘বাবা’।
তার লেখা গানে সুর, সঙ্গীত ও কণ্ঠ দিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা। বর্তমানে তিনি নাট্য রচনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সর্বশেষ ঈদ-উল-আযহায় বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে তার রচনায় নির্মিত ৭ পর্বের একটি ধারাবাহিকসহ মোট ৭টি একক নাটক।
নাটকে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন ‘বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড’, ‘ট্রাব অ্যাওয়ার্ড’, ‘বায়োস্কোপ স্টার অ্যাওয়ার্ড’, ‘সিজেএফবি অ্যাওয়ার্ড’, ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’, ‘বিসিআরসি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, ‘শাহ আব্দুল করিম (এসএকে) অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘মাদার তেরেসা স্মারক সম্মাননা’-সহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা।
তাকে দেখা গেছে রিয়েলিটি শো ‘মি. অ্যান্ড মিস গ্ল্যামার লুকস’-এর বিচারক হিসেবে এবং বাভাসি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২২-২০২৩-এর প্রধান বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতে।